পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সামাজিক রেজিস্ট্রি পোর্টাল হল একটি উদ্যোগ যার মাধ্যমে নাগরিকদের বিভিন্ন কল্যাণমূলক সুবিধা এবং সরাসরি সুবিধা স্থানান্তর (ডিবিটি) এর অবস্থা সম্পর্কে সহজে জানা যায়। এই পোর্টালটি নাগরিকদের জন্য তাদের আবেদন এবং বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য প্রদত্ত অর্থের অবস্থা জানার একটি মাধ্যম, যার মধ্যে অন্নপূর্ণা ভান্ডার এবং লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প রয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ সামাজিক রেজিস্ট্রি পোর্টাল সম্পর্কে
পশ্চিমবঙ্গ সরকার দুটি প্রধান সামাজিক নিরাপত্তা পোর্টাল পরিচালনা করে: socialregistry.wb.gov.in (সামাজিক রেজিস্ট্রি) এবং socialsecurity.wb.gov.in (সামাজিক নিরাপত্তা)। উভয় পোর্টালই কল্যাণমূলক সুবিধা এবং ডিবিটি অবস্থা জানার জন্য একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। সামাজিক রেজিস্ট্রি পোর্টাল বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য আবেদন এবং অর্থ প্রদানের অবস্থা জানার সুবিধা প্রদান করে।
পোর্টালটি যোগ্য নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা এবং অন্যান্য সুবিধার জন্য আবেদন করার সুযোগ দেয়। এটি পশ্চিমবঙ্গের নাগরিকদের জন্য সুবিধা প্রদানের একটি স্বচ্ছ এবং দক্ষ উপায় প্রদান করার লক্ষ্য রাখে। পোর্টালটি কল্যাণমূলক সুবিধা গ্রহণের প্রক্রিয়াকে ডিজিটালাইজ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা নাগরিকদের জন্য আরও সহজলভ্য এবং সুবিধাজনক করে তোলে।
অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প: একটি নতুন উদ্যোগ
2026 সালের 1 জুন থেকে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার তার পতাকা লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পটি নতুন অন্নপূর্ণা ভান্ডার (অন্নপূর্ণা যোজনা নামেও পরিচিত) দিয়ে প্রতিস্থাপন করেছে। এই নতুন প্রকল্পটি 25-60 বছর বয়সী যোগ্য মহিলাদের জন্য ₹3,000 এর সমান মাসিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। আর্থিক সহায়তা সরাসরি অ্যাডাহার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ডিবিটির মাধ্যমে স্থানান্তরিত করা হয়।
অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের তুলনায় কঠোর যোগ্যতা মানদণ্ড রয়েছে। নতুন প্রকল্পটি আয় করদাতা, সরকারি কর্মচারী এবং রাজ্য শনাক্তকরণ রেজিস্টার (এসআইআর) থেকে বাদ দেওয়া ব্যক্তিদের বাদ দেয়। সমস্ত বিদ্যমান লাক্ষ্মীর ভান্ডার 수혜ীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন প্রকল্পে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
- প্রধান সুবিধা:
25-60 বছর বয়সী যোগ্য মহিলাদের জন্য ₹3,000 এর সমান মাসিক আর্থিক সহায়তা
- যোগ্যতা মানদণ্ড:
আয় করদাতা, সরকারি কর্মচারী এবং রাজ্য শনাক্তকরণ রেজিস্টার (এসআইআর) থেকে বাদ দেওয়া ব্যক্তিদের বাদ দেয়
- আবেদন প্রক্রিয়া:
গ্রামীণ এলাকায় ব্লক উন্নয়ন অফিসার (বিডিও) এবং শহুরে এলাকায় উপ-বিভাগীয় অফিসার (এসডিও) দ্বারা আবেদন যাচাই করা হয়
নতুন সুবিধাভোগীদের জন্য সরকারী অনলাইন আবেদন পোর্টাল হল https://socialsecurity.wb.gov.in/login। সুব
যোগ্যতা মানদণ্ড এবং আবেদন প্রক্রিয়া
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের নির্দিষ্ট যোগ্যতা মানদণ্ড রয়েছে যা আবেদনকারীদের আর্থিক সহায়তার জন্য যোগ্য হতে হবে। যোগ্য হতে হলে, মহিলাদের বয়স ২৫-৬০ বছর হতে হবে এবং একটি আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। তাদের আয়করদাতা, সরকারি কর্মচারী বা রাজ্য শনাক্তকরণ রেজিস্টার (এসআইআর) থেকে বাদ দেওয়া উচিত নয়। তদতিরিক্ত, আবেদনকারীদের স্বাস্থ্য সাথীতে নথিভুক্ত হতে হবে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রদত্ত একটি স্বাস্থ্য বীমা প্রকল্প।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য আবেদন প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় নথি সরকারী অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে জমা দিতে হয়। প্রয়োজনীয় নথিগুলির মধ্যে রয়েছে:
- আধার কার্ড
- ভোটার আইডি
- রেশন কার্ড
- সক্রিয় একক আধার-সংযুক্ত অ্যাকাউন্ট সহ ব্যাঙ্ক পাসবুক
- বাসস্থান প্রমাণ (বিদ্যুৎ/পানি বিল)
- পাসপোর্ট-আকারের ছবি
আবেদনকারীরা সামাজিক নিরাপত্তা পোর্টালের অনলাইন আবেদন পোর্টালের মাধ্যমে তাদের আবেদন জমা দিতে পারেন। তবে, পোর্টালটি জুন ২০২৬ এর প্রথম দিকে উচ্চ ট্র্যাফিকের কারণে সার্ভার ক্র্যাশের সম্মুখীন হয়েছিল। সুবিধাভোগীরা তাদের আবেদন এবং অর্থ প্রদানের অবস্থা অনলাইনে সামাজিক নিরাপত্তা পোর্টালের “ট্র্যাক আবেদনকারীর অবস্থা” বিকল্প ব্যবহার করে তাদের আবেদন আইডি, আধার নম্বর বা নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে পরীক্ষা করতে পারেন।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের মূল বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধা
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পটি ২৫-৬০ বছর বয়সী যোগ্য মহিলাদের জন্য ₹3,000 এর সমান মাসিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করে, সরাসরি আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি সুবিধা স্থানান্তর (ডিবিটি) মাধ্যমে। প্রকল্পটি জাতি-ভিত্তিক পার্থক্য দূর করে এবং মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে রাষ্ট্র-চালিত বাস ভ্রমণ যোগ করে। এটি পূর্ববর্তী লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের তুলনায় একটি উল্লেখযোগ্য উন্নতি, যা এসসি/এসটি এবং জেনারেল বিভাগের মহিলাদের জন্য যথাক্রমে ₹1,700 এবং ₹1,500 প্রদান করে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পটি যোগ্য মহিলাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং তাদের স্বনির্ভর হতে সহায়তা করার লক্ষ্য রাখে। প্রকল্পটি মহিলাদের ক্ষমতায়নকেও উন্নীত করে এবং রাজ্যে দারিদ্র্য হ্রাস করতে সহায়তা করে। কঠোর যোগ্যতা মানদণ্ড প্রবর্তনের সাথে, প্রকল্পটি সমাজের সবচেয়ে দুর্বল বিভাগগুলিকে লক্ষ্য করে।
সমস্ত বিদ্যমান লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সুবিধাভোগীদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে স্থানান্তর করা হচ্ছে। রাজ্য সরকার ১ জুন, ২০২৬ থেকে শুরু করে ৯০ দিনের নিবন্ধন ড্রাইভ শুরু করেছে নতুন সুবিধাভোগীদের অনবোর্ড করার জন্য। তহবিল স্থানান্তরের প্রথম পর্যায়টি ৩ জুন, ২০২৬ এ শুরু হয়েছে, যাতে যোগ্য মহিলারা সময়মতো তাদের আর্থিক সহায়তা পান।
আব
যোগ্যতার মানদণ্ড এবং আবেদন প্রক্রিয়া
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের নির্দিষ্ট যোগ্যতার মানদণ্ড রয়েছে যা আবেদনকারীদের আর্থিক সহায়তার জন্য যোগ্য হতে হবে। এই প্রকল্পটি ২৫-৬০ বছর বয়সী মহিলাদের জন্য উন্মুক্ত যারা পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা এবং একটি আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। আবেদনকারীদের অবশ্যই আয়করদাতা, সরকারী কর্মচারী বা স্টেট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এসআইআর) থেকে সরানো যায়নি। অতিরিক্তভাবে, তাদের অবশ্যই স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে নথিভুক্ত হতে হবে অথবা একটি বৈধ রেশন কার্ড থাকতে হবে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে, যোগ্য নাগরিকরা https://socialsecurity.wb.gov.in/login এ অফিসিয়াল অনলাইন আবেদন পোর্টালে যেতে পারেন। আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে, যার মধ্যে রয়েছে আধার কার্ড, ভোটার আইডি, রেশন কার্ড, একটি সক্রিয় একক আধার-সংযুক্ত অ্যাকাউন্ট সহ ব্যাঙ্ক পাসবুক, আবাসন প্রমাণ (বিদ্যুৎ/পানি বিল), এবং একটি পাসপোর্ট-সাইজের ছবি।
আবেদন যাচাই প্রক্রিয়া গ্রামীণ এলাকায় ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার (বিডিও) এবং শহুরে এলাকায় সাব-ডিভিশনাল অফিসার (এসডিও) দ্বারা পরিচালিত হয়। ১ জুন, ২০২৬-এ একটি ৯০-দিনের নিবন্ধন ড্রাইভ শুরু হয়েছে এবং ৩ জুন, ২০২৬-এ তহবিল স্থানান্তরের প্রথম পর্যায় শুরু হয়েছে। সুবিধাভোগীরা তাদের আবেদন এবং পেমেন্টের অবস্থা অনলাইনে সোশ্যাল সিকিউরিটি পোর্টালের “ট্র্যাক অ্যাপ্লিকেন্ট স্ট্যাটাস” বিকল্পটি ব্যবহার করে তাদের অ্যাপ্লিকেশন আইডি, আধার নম্বর বা নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর দিয়ে পরীক্ষা করতে পারেন।
প্রয়োজনীয় দলিল এবং যাচাই প্রক্রিয়া
একটি মসৃণ আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য, আবেদনকারীদের প্রয়োজনীয় দলিল প্রস্তুত থাকতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে:
- আধার কার্ড
- ভোটার আইডি
- রেশন কার্ড
- একটি সক্রিয় একক আধার-সংযুক্ত অ্যাকাউন্ট সহ ব্যাঙ্ক পাসবুক
- আবাসন প্রমাণ (বিদ্যুৎ/পানি বিল)
- পাসপোর্ট-সাইজের ছবি
যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্যে জমা দেওয়া দলিলগুলি পরীক্ষা করা এবং আবেদনকারীর যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করা নিশ্চিত করা জড়িত। এই প্রক্রিয়া গ্রামীণ এলাকায় বিডিও এবং শহুরে এলাকায় এসডিও দ্বারা পরিচালিত হয়। আবেদনটি যাচাই করা হলে, এটি অনুমোদিত হয় এবং সুবিধাভোগী আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করার যোগ্য হয়।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সামাজিক রেজিস্ট্রি পোর্টাল এবং সামাজিক নিরাপত্তা পোর্টাল আবেদন এবং যাচাই প্রক্রিয়াকে সহজতর করার জন্য একসাথে কাজ করে। পোর্টালটি নাগরিকদের কল্যাণ সুবিধার জন্য আবেদন করতে এবং তাদের আবেদনের অবস্থা ট্র্যাক করতে একটি ব্যবহারকারী-বান্ধব ইন্টারফেস প্রদান করে।
পেমেন্টের অবস্থা এবং তহবিল স্থানান্তর
অ
আবেদন প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় দস্তাবেজ
অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের জন্য আবেদন করার জন্য, যোগ্য নাগরিকরা অফিসিয়াল অনলাইন আবেদন পোর্টালে https://socialsecurity.wb.gov.in/login ভিজিট করতে পারেন। তবে আবেদনকারীরা উচ্চ ট্র্যাফিকের কারণে সার্ভার ক্র্যাশের সম্মুখীন হতে পারে। আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় দস্তাবেজগুলি হল:
- আধার কার্ড
- ভোটার আইডি
- রেশন কার্ড
- সক্রিয় একক আধার-লিঙ্কযুক্ত অ্যাকাউন্ট সহ ব্যাঙ্ক পাসবুক
- বসবাসের প্রমাণ (বিদ্যুৎ/পানি বিল)
- পাসপোর্ট-সাইজ ফটোগ্রাফ
আবেদনকারীদের আবেদন করার আগে সমস্ত প্রয়োজনীয় দস্তাবেজ রয়েছে তা নিশ্চিত করতে হবে। আবেদন যাচাই প্রক্রিয়া গ্রামীণ এলাকায় ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার (BDOs) এবং শহুরে এলাকায় সাব-ডিভিশনাল অফিসার (SDOs) দ্বারা পরিচালিত হয়।
যোগ্যতার মানদণ্ড এবং বর্জন
অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের আগের লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের তুলনায় কঠোর যোগ্যতার মানদণ্ড রয়েছে। বর্জনগুলির মধ্যে রয়েছে:
- আয় করদাতা
- সরকারী কর্মচারী
- যারা স্টেট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (SIR) থেকে সরানো হয়েছে
যোগ্য হতে হলে, মহিলাদের ২৫-৬০ বছর বয়সী হতে হবে এবং একটি আধার-লিঙ্কযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। প্রকল্পটি যোগ্য মহিলাদের জন্য ₹3,000 এর একটি অভিন্ন মাসিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করে, সরাসরি সুবিধাভোগীর অ্যাকাউন্টে ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) এর মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়।
নতুন প্রকল্পটি বর্ণ-ভিত্তিক পার্থক্য সরিয়ে দেয় এবং মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে রাষ্ট্র-চালিত বাস ভ্রমণ যোগ করে। বিদ্যমান লক্ষ্মীর ভান্ডার সুবিধাভোগীদের নতুন প্রকল্পে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
অ্যাপ্লিকেশন এবং পেমেন্ট স্ট্যাটাস ট্র্যাক করা
সুবিধাভোগীরা সোশ্যাল সিকিউরিটি পোর্টালের “ট্র্যাক অ্যাপ্লিকেন্ট স্ট্যাটাস” বিকল্পের মাধ্যমে অনলাইনে তাদের আবেদন এবং পেমেন্ট স্ট্যাটাস পরীক্ষা করতে পারেন। তারা তাদের অ্যাপ্লিকেশন আইডি, আধার নম্বর বা নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে তাদের স্ট্যাটাস ট্র্যাক করতে পারেন।
এই বৈশিষ্ট্যটি সুবিধাভোগীদের তাদের আবেদন এবং পেমেন্টের অগ্রগতি সম্পর্কে আপ-টু-ডেট থাকতে দেয়। সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল নাগরিকদের জন্য কল্যাণ সুবিধা এবং DBT স্ট্যাটাস অ্যাক্সেস করার একটি সুবিধাজনক উপায় প্রদান করে।
নাগরিকরা পোর্টালটি ব্যবহার করে অন্যান্য প্রকল্পের জন্য আবেদন এবং পেমেন্ট স্ট্যাটাস ট্র্যাক করতে পারেন, যেমন লক্ষ্মীর ভান্ডার।
উপসংহার
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল নাগরিকদের জন্য কল্যাণ সুবিধা এবং ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) স্ট্যাটাস অ্যাক্সেস করার জন্য একটি গেটওয়ে প্রদান